রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের ব্যানারে মিছিল ও উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, গত ২ জুন দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে ২টা ৫০ মিনিটের মধ্যে শাহমখদুম থানার দক্ষিণ নওদাপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত দলীয় কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে মিছিল এবং বিভিন্ন স্লোগান দেয়| এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন দিকে ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।
পরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় সাক্ষীদের তথ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র পর্যালোচনা করে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে শাহমখদুম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
এ মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোঃ রাকিবুল ইসলাম ওরফে রাতুলকে (২১), গ্রেফতার করা হয়। তিনি রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা নিমতলা এলাকার বাসিন্দা বাবুর ছেলে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের একজন কর্মী।
পুলিশের দাবি, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং উসকানিমূলক প্রচারণার উদ্দেশ্যে ওই সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করে।
শাহমখদুম থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রবিবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, গত ২ জুন দুপুর ২টা ১০ মিনিট থেকে ২টা ৫০ মিনিটের মধ্যে শাহমখদুম থানার দক্ষিণ নওদাপাড়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত দলীয় কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে মিছিল এবং বিভিন্ন স্লোগান দেয়| এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন দিকে ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।
পরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় সাক্ষীদের তথ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র পর্যালোচনা করে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করে শাহমখদুম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
এ মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোঃ রাকিবুল ইসলাম ওরফে রাতুলকে (২১), গ্রেফতার করা হয়। তিনি রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার ডিঙ্গাডোবা নিমতলা এলাকার বাসিন্দা বাবুর ছেলে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠনের একজন কর্মী।
পুলিশের দাবি, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো এবং উসকানিমূলক প্রচারণার উদ্দেশ্যে ওই সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করে।
শাহমখদুম থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক